ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতায় সেনাবাহিনী কি কি করতে পারবেন?

 সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা: সামরিক বাহিনীর নতুন দায়িত্ব


বিস্তারিত ⬇️

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী দুই মাসের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা এখন ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর বিভিন্ন ধারার অপরাধ বিবেচনায় নিতে পারবেন


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন:

ধারা ৬৪: গ্রেপ্তার ও হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।

ধারা ৬৫: গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা।

ধারা ৮৩/৮৪/৮৬: ওয়ারেন্ট অনুমোদন এবং অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।

ধারা ৯৫(২): ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান ও আটক করার ক্ষমতা।

ধারা ১০০: ভুলভাবে বন্দী ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।

ধারা ১০৫: সরাসরি তল্লাশি ও অনুসন্ধানের জন্য সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।

- ধারা ১০৭: শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তা প্রদান

ধারা ১০৯: ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তির নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

- ধারা ১১০: ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রদান

ধারা ১২৬: জামিনের নিষ্পত্তি।

ধারা ১২৭/১২৮/১৩০: বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ।

ধারা ১৩৩/১৪২: স্থানীয় ও জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ।


এছাড়াও, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারবেন, যেখানে তারা অপরাধের বিবেচনা করে সাজা প্রদান করতে সক্ষম হবেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে সাজা দুই বছরের বেশি হবে না।

⬆️

Post a Comment

Previous Post Next Post